শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো উন্নত করতে শিশু শিক্ষায় ফান্ড গঠনের আহ্বান শিল্পমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ৮:৪৬ পিএম, এপ্রিল ৮, ২০২১
  • শেয়ার করুন

শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো উন্নত করতে শিশু শিক্ষার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেত্রীদের নিয়ে ফান্ড গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

তিনি বলেন, সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থার অংশ হলো মসজিদ-মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম। জাতির পিতা দেশ স্বাধীনতার পর সার্বজনীন বা সবার জন্য শিক্ষাব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষাব্যবস্থাকে সাজিয়ে ছিলেন। আর তাই তিনি সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার সূচনা করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বাস্তবায়নাধীন ‘মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতা সম্পন্ন জাতি গঠনে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কর্যক্রম পঞ্চম পর্যায় প্রকল্পের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্ম অধিবেশনে ভার্চুয়াল আলোচনায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের সবচেয়ে বেশি মূল্যায়ন করি। মসজিদ-মন্দিরভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতেও সরকারের পাশাপাশি আমরা যারা সমাজে রয়েছি, তাদের নৈতিক-সামাজিক দায়িত্ববোধ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজের স্বচ্ছল ব্যক্তিদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, প্রশাসনের সহযোগিতায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেত্রীদের নিয়ে শিশু শিক্ষার জন্য ফান্ড গঠন করা যেতে পারে, যা দিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো উন্নত করা যেতে পারে। শিশুদের মানসিক গঠনে এ শিক্ষার্থীদের সাংস্কতিক বিকাশে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের আয়োজন করতে হবে। বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও উৎসবে এসব শিশুদের সহযোগিতা, পোশাক, খেলাধুলা ও বিভিন্ন সামগ্রীর ব্যবস্থা করতে হবে।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের শিখেয়েছেন অসাম্প্রদায়িক ও গণমানুষের রাজনীতি করতে। আমরা যারা গণমানুষের রাজনীতি করি, আমাদের কমিটমেন্ট হলো মানুষ। জনগণই আমাদের মূল শক্তি। সেবা নিয়ে সেই জনগণের কাছেই আমাদের যেতে হবে। এদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যারা আছে আমরা তাদের মানুষ হিসেবে দেখি। এখানে তাদের আলাদা করে দেখি না। আমাদের রাজনীতি সহাবস্থানের রাজনীতি। এক ধরনের ধর্মীয় উগ্রবাদ গোষ্ঠী এদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।