পর্যটন উন্নয়ন নীতিমালাতে নৌ পর্যটন উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করা হয়েছেঃ পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৭:৪১ পিএম, জানুয়ারী ২১, ২০২১
  • শেয়ার করুন

দেশের নৌ-পর্যটন উন্নয়নে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নদী কেন্দ্রীক পর্যটন শিল্পের বিকাশে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-এ শিমুলিয়া ঘাট থেকে নৌ-ভ্রমণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘পদ্মা ক্রুজ’ নামে ওই নৌ-ভ্রমণের আয়োজন করে ঢাকা ক্রুজ এন্ড লজিস্টিকস।

বলেন, ‘আমাদের জাতীয় পর্যটন উন্নয়ন নীতিমালাতে নৌ পর্যটন উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের পর্যটন শিল্পের সমন্বিত উন্নয়নে যে পর্যটন মহা-পরিকল্পনা প্রণয়ন হচ্ছে সেখানেও নৌ-পর্যটনকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। দেশে টেকসই পর্যটন উন্নয়নে নৌ-পর্যটন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের গর্ব ও অহংকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে পদ্মা সেতু আজ বাস্তবতা। এটি আমাদের উন্নয়ন সক্ষমতার প্রতীক। এই সেতু নদীর দুই পাড়ের মানুষকে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করবে। বর্তমানে পর্যটন শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ এই সেতু। পদ্মা সেতু দেখতে আগত পর্যটকদের জন্য সেতুর পাশে পর্যটন সুবিধা প্রবর্তনের কাজ চলছে।’

মাহবুব আলী বলেন, ‘পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের পাশাপাশি আমাদের বেসরকারি অংশীজনদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পর্যটন শিল্প ঘিরে যত প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে তত কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে। দেশের জনগণের স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে, সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে দেশের বেসরকারি অংশীজনদের সহায়তা করবো।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা ক্রুজ এন্ড লজিস্টিকস’র চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলাল প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিণী শামীমা জাফরিন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উপ-পরিচালক হাজেরা খাতুন, লৌহজং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান প্রমুখ।

পদ্মায় নৌ-ভ্রমণে যেতে মাওয়া ঘাট থেকে প্রতিদিন ডে ক্রুজ (সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা) এবং বৈকালিক ক্রুজ (দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা) পরিচালিত হবে। নৌ-ভ্রমণ প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত থাকবে দুপুরের খাবার ও হালকা নাস্তা এবং সার্বক্ষণিক চা ও কফি। পর্যটকদের চাহিদা অনুযায়ী ভ্রমনসূচি ও খাবার মেনু পরিবর্তনেরও সুযোগ আছে।