শিক্ষিত যুবসমাজ কৃষির দায়িত্ব নিলে দেশ লাভবান হবেঃ বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৯:০৯ পিএম, জানুয়ারী ১৩, ২০২১
  • শেয়ার করুন

কৃষিকাজে দেশের শিক্ষিত যুবসমাজকে কাজে লাগানো গেলে পণ্যের মান উন্নত হবে এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘তাতে ভোক্তা নিরাপদ খাদ্যপণ্য পাবে।’

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকায় স্থানীয় একটি হোটেলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুব উন্নয়ন অধিদফতর আয়োজিত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে যুব উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র হ্রাসকরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এসময় টিপু মুনশি বলেন, ‘যুবসমাজকে কৃষিভিত্তিক শিল্পে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী। শিক্ষিত যুবসমাজ কৃষির দায়িত্ব নিলে দেশ লাভবান হবে। আমাদের দেশে মৌসুমের সময় অনেক কৃষিপণ্য নষ্ট হয়ে যায়, কৃষকরা নামমাত্র মূল্যে এগুলো বিক্রি করতে বাধ্য হন। দেশে উৎপাদিত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করে সারা বছর ব্যবহার করা যায়। দেশে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা খুবই প্রয়োজন। এতে করে শিক্ষিত যুবসমাজ কাজ করার সুযোগ পাবেন, অপরদিকে কৃষিপণ্যের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে। দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজ ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছেন। দেশের স্বাধীনতার জন্য হাসতে হাসতে জীবন দিয়েছেন। যুবকরা দেশ ও জাতির বড় শক্তি।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘দেশের সাড়ে পাঁচ কোটি যুবককে কাজে লাগাতে হবে। দেশের শিক্ষিত যুবসমাজকে কাজে লাগানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষিপণ্য প্রসেসিং কাজে দেশের যুবসমাজকে কাজে লাগালে দেশ উপকৃত হবে। যুবসমাজকে মানবিক ও নৈতিকতার সাথে গড়ে তোলার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং সরকার প্রশিক্ষণের উপর সরকার বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে ওই কর্মসূচির আওতায় কৃষিপণ্য উৎপাদকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, ভোক্তাদের জন্য ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত খাদ্যপণ্যের ব্যবস্থা করার লক্ষ্যে যুবশপ ও এক্সপ্রেস কিচেন এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের যাত্রা শুরু এবং যুব ব্র্যান্ডের লোগো উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আখতার হোসেন, ফোর্থ আই অ্যাগ্রো ইনোভেশনস অ্যান্ড টেকনোলজিসের চেয়ারম্যান কাজী গোলাম আলী সুমন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমদ বারী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুব উন্নয়ন অধিদফতরের মহাপরিচালক আখতারুজ্জামান খান কবির।